ক্ষুধার কবরের সামনে একটি নিমগাছ একামত দিলে উঠে বসে মৃত্যু, পাতার প্রলেপ থেকে খসে পড়া বিবর্ণ শিশির জমে ছিল যে শ্রমিকের প্রত্নতাত্ত্বিক পিঠে এ কবর তার। মৃত চোখে এখনো সে দেখে ঘুম ঘুম মহাজাগতিক স্মৃতি, পোস্ট অফিসের পুরোনো পরিচিত মেঘপিয়ন দিয়ে যায় জলীয়বাষ্পের চিঠি। নিমগাছ তলায় প্রাকপৌরাণিক সাইকেল চেপে একটু দাঁড়ায়, ঘন্টা বাজায় জানে না যার নামে এ চিঠি, সে তো কবে গেছে মারা। মৃত জীবন নিয়ে জীবিত এক লাশ কবরের ওপর বৃষ্টির শব্দ শুনে বুঝে যায় — সূর্য ডুবে যাওয়া মানে সন্নিকটে ভোর মহল্লার লোকেরা জড়ো হয়, ফিসফিস করে — ক্ষুধার কবরে এসেছে আজ এক অলৌকিক চিঠি প্রেরকের জাগায় লেখা আছে — ঈশ্বর।
লেখাটি শেয়ার করুন