রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারফিউ দিনের কবিতা : ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর সুতীব্র আঘাত

রিগ্যান এসকান্দার

🕒 প্রকাশ: ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

'কাউফিউ দিনের গান' মূলত একটি রাজনৈতিক কবিতার বই। কবি তরুন ইউসুফ রাষ্ট্র ও ব্যক্তির মধ্যবর্তী ব্যারিকেডকে সংজ্ঞায়িত করে আমাদের দৃষ্টিকে ওই পথের দিকে নিয়ে গেছেন, যে পথে ব্যক্তি তথা যুগ যুগ ধরে আমাদের নাগরিক অধিকার হারিয়ে যায় রাষ্ট্রের ক্ষমতারক্ষার দাম্ভিকতায়। কবি তরুন ইউসুফের এই কাব্যগ্রন্থটি এজন্য শেষমেশ হয়ে উঠেছে স্বাধীন বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলিল। ১৯৭১ এ জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ নামক এ রাষ্ট্রে আমাদের রক্ত ঢালার দিন যেন শেষই হয় না। স্বাধীনতার পরেও দেশিয় শোষকদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার লোভ আমাদের ব্যক্তি, পারিবারিক ও সমাজজীবনকে বারবার বিপর্যস্ত করে তোলে। এর সর্বশেষ উদাহরণ হলো ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলন। জুলাইয়ের স্বৈরাচার হঠানো সংগ্রামে আমাদের বদ্ধ ও শ্বাসরুদ্ধকর দিনগুলি কবি তরুন ইউসুফ চিত্রায়িত করেছেন তাঁর ' কারফিউ দিনের কবিতা' গ্রন্থে ; যেন রাজনীতি সচেতন এই কবি আমাদের ইতিহাসের একটি দলিলকে খুব সচেতনভাবে আটকে ফেলেছেন তাঁর ' কারফিউ দিনের কবিতা' গ্রন্থের  পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়।  

কবি তরুন ইউসূফ ' কারফিউ দিনের কবিতা ' গ্রন্থটির কবিতাগুলো তিন পর্বে লেখা। ১. বদ্ধ দিনের গান ২. কারফিউ দিন ৩.আগুন পাথর। এই তিন পর্বের কবিতাগুলো পাঠককে ২৪শের জুলাইয়ের স্বৈরাচার হঠানোর আন্দোলনের দিনগুলোতে নিয়ে যাবে। কীভাবে রাজপথে রক্তলাল পলাশ ফোটে, কেনই-বা শাসকের বন্দুকের সামনে এইসব লাল লাল পলাশ আত্মহূতী দেয়, এসব প্রশ্ন ও প্রশ্নের উত্তরলিপি কবি তরুন ইউসুফের এই 'কারফিউ দিনের কবিতা ' গ্রন্থের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় লেখা আছে।

১. বদ্ধ দিনের গান : 

-------------------------------

স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্রের ভেতর বসবাস করেও শাসকদের খেয়ালিপনায় সাধারণ মানুষ বরাবরই যাপন করেছেন মানবেতর জীবন। সেই সব আহত জীবনের ব্যর্থিত চিত্রকল্প কবি তরুন ইউসুফ তুলে ধরেছেন তাঁর কবিতাগ্রন্থের প্রথম পর্বে। এই পর্বের নাম ' বদ্ধ দিনের গান'। কবি ১৯টি কবিতা রেখেছেন এ পর্বে। এ পর্বের প্রতিটি কবিতায় কবি মূলত তুলে এনেছেন শোষক কর্তৃক এক বিকলাঙ্গ রাষ্ট্রের হতাশাগ্রস্থ নাগরিক মনের বিক্ষিপ্ত ভাবনাসমূহ— 

'মাঝে মাঝে মনে হয়

সবচেয়ে উঁচু ভবন থেকে

লাফিয়ে পড়ে দেখাই

এরচেয়েও নাগরিক কতটা পতিত' 

[বিক্ষিপ্ত আছি ]

রাষ্ট্র যখন নাগরিকের আশ্রয়স্থল না হয়ে শোষনযন্ত্র হয়ে ওঠে, তখন এই যন্ত্রের মধ্যে প্রতিনিয়ত মাড়াই হতে থাকে ব্যক্তিজীবনের আশা- আকাঙ্ক্ষা ও তাদের সমস্ত সোনালী স্বপ্ন। এখানে জীবন নিয়ে কবিও যেন ধারণ করেন এক ইতরসদৃশ জীবন।

' ইদানীং আশেপাশে তাকাই

চারিদিকে শুধু 

লেজ গুটানো জীবন 

আর কুই কুই শব্দ। '

[ নেড়ি]

রাষ্ট্রীয় সমস্ত ধাপ্পাবাজি কবির কাছে ধরা পড়তে থাকে নিয়ত। যাপিত জীবন বিশ্লেষণ করে কবি বুঝে যান, সভ্যতা গড়ার নামে মানুষের মানবিক স্বপ্নকেই গিলে নিচ্ছে এক হাঙর রাষ্ট্র। রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে আটকা পড়ে যাচ্ছে মানুষ , মানুষ হচ্ছে শোষনের বলী, মানুষ হয়ে উঠছে রাষ্ট্রের খাবার। এই খাবার খেয়েই ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে এই দানবীয় শোষক রাষ্ট্র; আর ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে নাগরিক জীবনকদার্যের নগ্নতা —

'অতএব সভ্যতা

একটা আস্ত জঙ্গল

তুমি আমি

নিখুঁত খাদ্যশৃঙ্খল।'

[ খাদ্যশৃঙ্খল ]

এখানে আনন্দের গীত নেই; এখানে প্রতিদিন যেন বেজে চলেছে শোকের শ্লোক। এই দানবীয় শোষক রাষ্ট্রে কবি বেঁচে থাকাকেই যেন আজ অপরাধ মনে করেছেন —

'এখানে প্রতিনিয়ত

জেগে উঠে দেখি

জীবন এক

শোক সংবাদ 

যত সব প্রেত 

আর ভূতেদের ভীড়ে

বেঁচে থাকা উপহার 

অপরাধ বটে। '

[ভূত সংবাদ ]

রাষ্ট্র কর্তৃক এক প্রতারিত নাগরিক কবি, রাষ্ট্রকে আর নিরাপদ বোধ করতে পারেন না। কাঠামোগত উন্নয়নকে ঘটিয়ে মানবিক-পঙ্গু রাষ্ট্র কখনোই মানুষের জন্য নিরাপদ হয়ে উঠতে পারে না। এই রাষ্ট্রের মুখের ওপর থুতু ছিটিয়ে কবি ঘোষণা করেন তার প্রতিবাদী উপহাস—

বাঘকে হরিণ ভেবে ভুল করি

যেমন রাষ্ট্রকে ভাবি নিরাপদ 

ডোরাকাটা থাকলেই বাঘ হরিণ নয়

রাষ্ট্র থাকলেই মানুষ নিরাপদ নয় 

[ বাঘ ও রাষ্ট্র ]

নিরাপত্তার দায়িত্ব যাদের হাতে ছেড়ে কবি শান্তিতে বাঁচতে চেয়েছিলেন, মৌলিক অধিকারের দায়িত্ব কবি যাদের হাতে তুলে দিয়ে নিজ মাতৃভূমিতে মুক্তি চেয়েছিলেন, সেই তারাই ডাকাতি করে নিয়েছে মানুষের সমস্ত স্বপ্ন, আশা ও স্বাধীনতাকে—

'যাদের ভেবেছি দেবতা তাদের 

মুখোশ খুললে ভিন্ন 

কতবার যাকে প্রণাম করেছি

সেই দেখি খুব ঘৃণ্য! '

[জন্ম আমার আজন্ম মিথ্যা ]

তবে প্রতারক রাষ্ট্রের এই প্রতারণাকে কবি শেষমেশ নিরবে সইয়ে যাননি, যায়নি রাষ্ট্রের নাগরিকেরাও। মানুষের  বিক্ষিপ্ত মন  ধীরে ধীরে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। মানুষ হয়েছে প্রতিবাদী, নেমেছে রাজপথে। তার স্পষ্ট ছাপচিহ্ন আমরা পাচ্ছি কবির লিখিত এ গ্রন্থের দ্বিতীয় পর্বে।

২.কারফিউ দিন

-------------------------

আমাদের আশা ভঙ্গের গানে নতুন নতুন সুর তুলেছে এক একটি স্বদেশীয় স্বৈরাচার। এসব স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হয়েছে রাজপথে, কবিতায় ও গানে। ২৪শের জুলাই আন্দোলনের সময় লেখা কবি তরুন ইউসুফ কবিতা সেই সাক্ষ্যই দেয়। কলমে জ্বালিয়েছেন তিনি বিবেকের বারুদ। 

'খতিয়ে দেখলাম 

এই জুলাইয়ে 

আমরাও সম্ভাবনার

আগুন জ্বালাতে পারি।'

[ আহা জুলাই ]

'কারফিউ দিন ' নামক মধ্যম পর্বে কবিতার সংখ্যা ষোলটি। এই পর্বের শুরুর কবিতাটিতেই কবি তরুন ইউসুফ ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধের আহ্বান জানালেন। জুলাইয়ের কাউফিউ দিনে রাষ্ট্রীয় ব্যারিকেড ভেঙে নিপিড়িত নাগরিকদের শক্তিকে উসকে দিলেন তিনি তাঁর কবিতায়। স্বৈরতন্ত্রের অহমিকাকে চ্যালেঞ্জ করে বসলেন একজন কবি। এ পর্বের কবিতাগুলোর ভাষায় আর পরাজিতের সুর নেই, আছে সাহসিকতার প্রত্যয়। এজন্য কাব্যে দৃপ্ততাসদৃশ বহু শব্দের সমন্বয় ঘটাতে হয়েছে কবিকে। যারা তার এই প্রতিরোধের মিছিলে শামিল হচ্ছে না; স্বদেশের মুক্তির দিনেও জনতার পক্ষে না দাঁড়িয়ে হন্তারক রাষ্ট্রের সাফাই গাইছে, তাদের উদ্দেশ্য করে কবি লিখলেন —

'খুলে দেখি দুয়ার

সামনে সুশীল দাঁত খিচিয়ে 

বুদ্ধিজীবী শুয়ার'

[ নাগরিক নির্বাসনে ]

কবি জানেন এই সংগ্রামে মৃত্যু আসবে। স্বদেশের মুক্তির জন্য রাজপথে ঝরবে তাজা রক্ত। তবু কবি এই মহান মৃত্যুকে স্বাগত জানালেন এই কারফিউ দিনের যবনিকা টানতে—

'মৃত্যুর অধিকার নিয়ে 

জন্মেছ মানুষ

মৃত্যুকে কীসের ভয়!'

[ নিঃসংশয় ]

কারফিউ দিনে শাষকের চোখে চোখে রেখে কবি বললেন —

'জাহান্নামের ভেতর

বসে আছি

তোমরা দেখাচ্ছ

আগুনের ভয়।'

[ প্রহসন ]

কবি জানান, শোষকের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এখন আর পিছিয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই। হয় মৃত্যু, নতুবা চান স্বাধীন স্বদেশ —

'যতই আসুক জুলুমের চাপ

এখন ভয় পাওয়া অপরাধ 

ভয় পাওয়া পাপ।'

[সময়ের কাঠগড়া ]

সত্যিকারের শিল্পী মানেই এক জাগ্রত বিবেক। কবি তরুন ইউসুফ সেই জাগ্রত বিবেক নিয়েই কলম ধরেছেন সময়ের প্রয়োজনে। এখানে কবির প্রতিবাদী মন দ্রোহের আগুনে যেন ঝলসে উঠে দেখা দিয়েছে শিল্পেরই প্রকৃত রূপ। আমাদের বিশ্বাস বাংলা কাব্যের ইতিহাসে শিল্পের এই দালিলিক কাব্যিক প্রমাণ আগামী ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।  ' কারফিউ দিনের কবিতা ' শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে, শোষকের রক্তচক্ষুর বিপরীতে শিল্পকে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার সাহসিকতার এক অনন্য নজির।  কবি তরুন ইউসুফ যেন বিক্ষত সময়ের এই কবিতাগ্রন্থ আমাদের হাতে তুলে দিয়ে জানান দিলেন, শিল্প কখনো আপোষ করে না, কবিতা কখোনো করে না রাষ্ট্রের তাবেদারি।

৩. আগুন পাথর :

--------------------------------

'আগুন পাথর ' হলো এই গ্রন্থের শেষ পর্ব। বারটি কবিতার সম্মিলনে এই পর্বটি সজ্জিত। এই পর্বে কবি তুলে ধরেছেন, ২৪ এর আন্দোলন-পরবর্তী স্বৈরাচার শোষকমুক্ত সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের দিনগুলো— পরাজিত শাসকের রেখে যাওয়া নানা ক্ষতচিহ্ন , অভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার আত্মদানের গৌরবগাঁথা, স্বজন হারানো হাহাকার ও আগামী দিনে একটি স্বাধীন ও সৌরভময় দেশ গঠনের স্বপ্ন। স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে এক দুরন্ত যুদ্ধ জয়ের পর কবি এখন যেন শুধুই শান্তি, সুখ ও সচ্ছলতা চান, ক্নান্ত সৈনিকের এখন দরকার শুশ্রূষা —

'যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত

চলো ব্যারাকে ফিরে যাই

পাশাপাশি শুয়ে আকাশ দেখি

অথবা পরস্পর চুমু খাই।'

[ যুদ্ধ শেষে ]

আন্দোলন, মিছিল ও প্রতিরোধ শেষে বিজয়ী মানুষ তবু ভুলতে পারে না স্বৈরশাসকের সেইসব অত্যাচারিত ঘটনাসমূহ। এই মাটির বুকে যারা হত্যা হয়েছে, যারা আত্মাহুতি দিয়েছে; যাদের রক্তে লাল হয়েছে এই মাতৃভূমির পবিত্র মৃত্তিকা, তাদের কথা বারবার ফিরে ফিরে আসে কবির স্মৃতিরোমন্থনে —

'আমাদের বিজয় 

সাহস ও সাহসিকতা 

চুরি হতে হতে

আবার দাঁড়াল সাঈদ রুখে

বুক পেতে,'

[ একটি রাষ্ট্র পেলে ] 

আবার —

'আমাদের মানচিত্রের চারপাশ 

ফ্যালানি আর স্বর্ণার মতো

ঝুলে আছে এইসব

মায়াবী মেয়েদের দুঃখিত লাশ

ওরা ঘাসের মতো সবুজ ও সরল ছিল!'

[ মানচিত্রের চারপাশে ]

এই চরণগুলো যেন অরক্ষিত রাষ্ট্রের এক মানচিত্রকে নির্দেশ করে, নির্দেশ করে দেশিয় শাসকেরা কীভাবে ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের প্রদেশে পরিণত করে একটি স্বাধীন সার্বোভৌম দেশকে। 

তবু পৃথিবীতে কবিই যেন স্বপ্ন ও আশার এক সংমিশ্রিত রূপ; কবি তরুন ইউসুফও তার ব্যাতিক্রম নন। অন্ধকার শেষে আলোকের বার্তা নিয়ে তিনিও হাজির হলেন এক মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্নে —

'ঘোর কাটবে আসবে নাকি

সত্য ফোটা ভোর

বুকের ভেতর বাংলাদেশ 

আগুন পাথর!'

[ আগুন পাথর ]

'কারফিউ দিনের কবিতা ' কবিতাগ্রন্থটি আমাদের বাংলাদেশের এক উত্তাল রাজনৈতিক সময়ে লেখা। তাই কবিতার ভাষায় কবি খুব সচেতনভাবে ঠেসে দিয়েছেন মানবিক বোধ। প্রতিটি গদ্য কবিতার বুননে অত্যন্ত সযন্তে সংযোজিত করেছেন ছন্দের শীতল দোলা। যেন তা পাঠের সময় ভীষণ সুকমল, অথচ বোধের গভীর বজ্রাঘাত। এই দক্ষতা নিশ্চিতভাবে কবির কাব্যিক ভাষার শ্রী বৃদ্ধি করে। শিল্পগুণ অক্ষুণ্ণ  রেখে কবিতায় বাস্তবতাকে তুলে ধরার সক্ষমতা শুধু একজন দক্ষ কবির পক্ষেই সম্ভব; কবি তরুণ ইউসুফ তা পরেছেন। এই কাব্যে ভাষা, বোধ ও আবেগকে তিনি চালিত করেছেন একই সমান্তরাল শৈল্পিক শৈলীতে। কবিতায় চিত্রকল্পের মুনশিয়ানা লক্ষ্য করা যায়। কিছু কবিতায় শ্লেষের যথাযথ প্রয়োগ চোখে পড়ে।

পরিশেষে বলা যায়, কবি তরুন ইউসুফের এই কবিতাগ্রন্থটি শুধুই 'শিল্পের জন্য শিল্প' না হয়ে শেষমেশ হয়ে উঠেছে ' মানুষের জন্য শিল্প '। রাজনীতি সচেতন কবি তরুন ইউসুফ তা়ঁর ' কারফিউ দিনের কবিতা ' গ্রন্থে আমাদের যেন সেই স্বপ্নের কথাই বললেন, সেই সত্যের কথাই বললেন, সেই মুক্তির কথাই বললেন; যে  স্বপ্ন আমাদেরকেও স্বপ্ন দেখতে শেখায়, যে সত্য আমাদেরকেও সত্যের পথে থাকতে উৎসাহিত করে, যে মুক্তি আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। 

কবি তরুন ইউসুফের কবিতা গ্রন্থ ' কারফিউ দিনের কবিতা ' মূলত ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর এক সুতীব্র আঘাত।

গ্রন্থপরিচিতি :

কারফিউ দিনের কবিতা

ধরণ: কবিতা

কবি : তরুন ইউসুফ

প্রচ্ছদ: নির্ঝর নৈঃশব্দ্য 

প্রকাশনী: সংযোগ

পৃষ্ঠা : ৬৪

মূল্য : ২৫০ টাকা

প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গ্রন্থপরিচিতি

লেখাটি শেয়ার করুন

Footer Top